ব্যবসায়ী · চা শিল্প · খালেদা জিয়ার পিতা
মৃত্যু ১৫ নভেম্বর ১৯৮৪
ইস্কান্দার আলী মজুমদার ফেনী জেলার ফুলগাজী উপজেলার শ্রীপুর গ্রামের ঐতিহাসিক খান মজুমদার পরিবারের সন্তান। পিতা সালামত আলী মজুমদার।
এই পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা মুরাদ খান — ১৭শ শতাব্দীতে মধ্যপ্রাচ্য থেকে চট্টগ্রামে আসেন। তাঁর পুত্র নাহার মুহাম্মদ খান ত্রিপুরা রাজ্যের মহারাজা লক্ষ্মণ মাণিক্যের কাছ থেকে "মজুমদার" উপাধি, ৮০ দ্রোণ রাজস্বমুক্ত জমি ও ১৪টি জমিদারি মৌজা লাভ করেন — এই ১৪টি মৌজা নিয়েই আজকের ফুলগাজী উপজেলা।
আরেক পুত্র ফুল মুহাম্মদ খান শামসের গাজীর অধীনে যুদ্ধ করে "গাজী" উপাধি পান — তাঁর নামানুসারে এলাকার নাম "ফুলগাজী"।
ইস্কান্দার মজুমদার ১৯১৯ সালে ফেনী থেকে জলপাইগুড়ি যান। বোনের বাসায় থেকে ম্যাট্রিক পাস করেন। এরপর ডাস অ্যান্ড কোম্পানি নামক ব্যাংকিং ও শেয়ারহোল্ডার কোম্পানিতে দালাল হিসেবে স্থানীয় চা ব্যবসায় জড়িত হন।
১৯৩৭ সালে জলপাইগুড়িতে তৈয়বা মজুমদারকে বিয়ে করেন। জলপাইগুড়ির নয়াবস্তি এলাকায় ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত বসবাস করেন। ১৯৫০ সালে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার পর পরিবার দিনাজপুরের মুদিপাড়ায় চলে আসেন।
১৫ নভেম্বর ১৯৮৪ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
তৈয়বা মজুমদার — দিনাজপুরের (বর্তমান উত্তর দিনাজপুর, পশ্চিমবঙ্গ) ইটাহারের চাঁদবাড়ি গ্রামের মেয়ে। একজন গৃহিণী। কন্যা খালেদা জিয়ার সাথেই থাকতেন।
বোন। স্বামী এম. রফিকুল ইসলাম — ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অধ্যাপক।
বোন। ২০০১–২০০৬ সালে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী। পুত্র শাহরিন ইসলাম তুহিন সাবেক সংসদ সদস্য।
তৃতীয় সন্তান। বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী। বিস্তারিত →
ভাই। ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য (২০০১–২০০৬)। ইসলামিক টিভির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান।
ভাই। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের অবসরপ্রাপ্ত ফ্লাইট ইঞ্জিনিয়ার।